০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

সমন্বিত কারিকুলাম না থাকায় সামাজিক বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে-বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ড ঢাকা মহানগর উত্তর

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব টাইম অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ড ঢাকা মহানগর উত্তর এর উদ্যোগে গত ১৪ আগস্ট’২৩ সোমবার ‘দিনব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয় ক্যান্টনমেন্টস্থ হোসাইন আহমদ মাদানী রহ. মিলনায়তনে।সংগঠনের সভাপতি মুফতী আবুল কালাম আজাদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নানামুখী হওয়ার কারণে লেজেগোবোরে অবস্থা। চরম সমন্বয়হীনতার কারণে ন্যাশনাল কারিকুলাম, মাদ্রাসা শিক্ষা এবং ইংরেজি মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক সামাজিক বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে।  যে সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে তা ভবিষ্যতে জাতির জন্য মঙ্গলজনকতো নয়ই বরং ভয়ঙ্কর! এর মূল কারণ হলো সমন্বিত কারিকুলাম না থাকা।

নগর উত্তর সেক্রেটারী মুফতী মোঃ মাছউদুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মশালায় প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাকুশির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতী হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, উপ-মহাপরিচালক(প্রশিক্ষণ) মাওলানা আব্দুস সাত্তার হামিদী, মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার, আলহাজ্ব আমিনুল হক তালুকদার, মাওলানা আব্দুল জাব্বার, মুফতী জাকির হোসাইন কাসেমী, মুফতী আবু সাঈদ সিদ্দিকী, মাওলানা ফেরদাউস আল কারিমী প্রমুখ।

বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের বলা হয় জাতির ভবিষ্যৎ। কিন্তু সে ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে নৈতিকতা সমৃদ্ধ কোনো কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থাই নেই বাংলাদেশে। অতিরিক্ত, অযৌক্তিক, অবাঞ্ছিত সিলেবাসের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদেরকে। এটা মোটেও ঠিক না।

জিপিএর লোভে নোট-গাইড পড়ে গতানুগতিক ভালো ফলাফল আসলেও এই শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন কিংবা রাষ্ট্রের কোন কাজে আসছে না।এই শিক্ষিতরা দুর্নীতি-দুঃশাসন করে, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দেশ ও সমাজকে কলুষিত করছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত নৈতিক, মানসিক বিকাশের ব্যবস্থা রাখা হয়নি শিক্ষাব্যবস্থায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
22Bet
spelen bij dux casino
gioca a spinlander
play at cleobetra
Spin Mama
Stake
spin
oscarspin
https://fixbet-bonus.com/tr-tr/

সমন্বিত কারিকুলাম না থাকায় সামাজিক বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে-বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ড ঢাকা মহানগর উত্তর

আপডেট সময় : ১১:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩

বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ড ঢাকা মহানগর উত্তর এর উদ্যোগে গত ১৪ আগস্ট’২৩ সোমবার ‘দিনব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয় ক্যান্টনমেন্টস্থ হোসাইন আহমদ মাদানী রহ. মিলনায়তনে।সংগঠনের সভাপতি মুফতী আবুল কালাম আজাদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নানামুখী হওয়ার কারণে লেজেগোবোরে অবস্থা। চরম সমন্বয়হীনতার কারণে ন্যাশনাল কারিকুলাম, মাদ্রাসা শিক্ষা এবং ইংরেজি মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক সামাজিক বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে।  যে সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে তা ভবিষ্যতে জাতির জন্য মঙ্গলজনকতো নয়ই বরং ভয়ঙ্কর! এর মূল কারণ হলো সমন্বিত কারিকুলাম না থাকা।

নগর উত্তর সেক্রেটারী মুফতী মোঃ মাছউদুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মশালায় প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাকুশির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতী হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, উপ-মহাপরিচালক(প্রশিক্ষণ) মাওলানা আব্দুস সাত্তার হামিদী, মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার, আলহাজ্ব আমিনুল হক তালুকদার, মাওলানা আব্দুল জাব্বার, মুফতী জাকির হোসাইন কাসেমী, মুফতী আবু সাঈদ সিদ্দিকী, মাওলানা ফেরদাউস আল কারিমী প্রমুখ।

বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের বলা হয় জাতির ভবিষ্যৎ। কিন্তু সে ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে নৈতিকতা সমৃদ্ধ কোনো কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থাই নেই বাংলাদেশে। অতিরিক্ত, অযৌক্তিক, অবাঞ্ছিত সিলেবাসের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদেরকে। এটা মোটেও ঠিক না।

জিপিএর লোভে নোট-গাইড পড়ে গতানুগতিক ভালো ফলাফল আসলেও এই শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন কিংবা রাষ্ট্রের কোন কাজে আসছে না।এই শিক্ষিতরা দুর্নীতি-দুঃশাসন করে, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দেশ ও সমাজকে কলুষিত করছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত নৈতিক, মানসিক বিকাশের ব্যবস্থা রাখা হয়নি শিক্ষাব্যবস্থায়।