১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সন্দ্বীপের দায়িত্ব নিতে তরুণদের প্রতি অধ্যাপক আমজাদ হোসেনের উদাত্ত আহ্বান শেরপুর-৩ আসনের জামাতের প্রার্থী বাদলের মৃত্যু নির্বাচিত হলে সরকারি হাসপাতাল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগ নেবো: এস এম  জাহাঙ্গীর উত্তরা ১৪ নং সেক্টর এলাকায় ধানের শীষের সমর্থনে শিমুল আহমেদের নেতৃত্বে গণসংযোগ ভোলা-১: দোয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবায়েদ বিন মোস্তফা জামাতের মোড়লগিরীতে থাকছে না বৃহত্তর ঐক্য ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ঢাকা-১১ তে ফজলে বারী মাসউদের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা  শায়খ ফয়জুল করীম এর যত সম্পদ বিমানের জিএম মনিরুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার সহ নানা গুরুতর অভিযোগ

শান্তি সমাবেশের নামে যুবলীগ-ছাত্রলীগ মানুষ খুন করছে

হাফেজ রেজাউল হত্যাকান্ডের দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব টাইম অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার জালালাইন জামাতের ছাত্র হাফেজ রেজাউল করীমের হত্যাকান্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। আজ এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, (২৮ জুলাই ২০২৩ শুক্রবার) বাইতুল মোকাররম দক্ষিণ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সরকার দলীয় কথিত শান্তি সমাবেশের বলি হাফেজ রেজাউল। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বায়তুল মোকাররম এসেছিলেন রেজাউল। সে কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী নয়। কথিত শান্তি সমাবেশের আয়োজক যুবলীগ-ছাত্র লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সন্ত্রাসীরা হাফেজ রেজাউলকে রাজপথে নির্মমভাবে খুন করেছে। এই খুনের সঙ্গে কারা জড়িত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা নিশ্চয় তা জানেন। অতএব, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুনীদেরক গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নয়তো গোটা বাংলাদেশের ইসলামপন্থী ছাত্র-জনতা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাফেজ রাজাউল হত্যাকান্ডের পর ৪৮ ঘন্টা অতিবাহিত হয়ে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তাহলে কি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তি সমাবেশের নামে যুবলীগ-ছাত্রলীগকে মানুষ খুন করার বৈধতা দিয়ে দিয়েছে? এই হত্যাকান্ডের দায় সরকারকেই নিতে হবে। নেতৃদ্বয় বলেন, সারাদেশে শান্তি সমাবেশের নামে সরকারী দল নিরীহ মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়ছে। নেতৃদ্বয় হাফেজ রেজাউলের শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং তার মাদরাসার ব্যথিত সাথী-সঙ্গীদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং সরকারের কাছে যথাযথ ক্ষতিপুরণ দাবী করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শান্তি সমাবেশের নামে যুবলীগ-ছাত্রলীগ মানুষ খুন করছে

হাফেজ রেজাউল হত্যাকান্ডের দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার জালালাইন জামাতের ছাত্র হাফেজ রেজাউল করীমের হত্যাকান্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। আজ এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, (২৮ জুলাই ২০২৩ শুক্রবার) বাইতুল মোকাররম দক্ষিণ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সরকার দলীয় কথিত শান্তি সমাবেশের বলি হাফেজ রেজাউল। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বায়তুল মোকাররম এসেছিলেন রেজাউল। সে কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী নয়। কথিত শান্তি সমাবেশের আয়োজক যুবলীগ-ছাত্র লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সন্ত্রাসীরা হাফেজ রেজাউলকে রাজপথে নির্মমভাবে খুন করেছে। এই খুনের সঙ্গে কারা জড়িত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা নিশ্চয় তা জানেন। অতএব, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুনীদেরক গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নয়তো গোটা বাংলাদেশের ইসলামপন্থী ছাত্র-জনতা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাফেজ রাজাউল হত্যাকান্ডের পর ৪৮ ঘন্টা অতিবাহিত হয়ে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তাহলে কি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তি সমাবেশের নামে যুবলীগ-ছাত্রলীগকে মানুষ খুন করার বৈধতা দিয়ে দিয়েছে? এই হত্যাকান্ডের দায় সরকারকেই নিতে হবে। নেতৃদ্বয় বলেন, সারাদেশে শান্তি সমাবেশের নামে সরকারী দল নিরীহ মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়ছে। নেতৃদ্বয় হাফেজ রেজাউলের শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং তার মাদরাসার ব্যথিত সাথী-সঙ্গীদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং সরকারের কাছে যথাযথ ক্ষতিপুরণ দাবী করেন।