০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা

দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব টাইম অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের মানুষ বর্তমান দুঃসহ অবস্থা থেকে পরিবর্তন চায়। বর্তমান সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে নানা ধরণের প্রহসন ও নাটক প্রদর্শন করছে। তিনি বলেন, দেশ এখন এক চরম দুঃসময় অতিবাহিত করছে। স্বেচ্ছাচারী শাসনের কবলে জনগণ অধিকারহীন ও বাকরুদ্ধ। অগণতান্ত্রিক শক্তির দানবীয় উত্থানে রাষ্ট্র ও সমাজে ভয় এবং আতঙ্ক আধিপত্য বিস্তার করছে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে তাদের অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে উদ্বুদ্ধ হওয়াই কোরবানির মর্মবাণী। পশু কোরবানির পাশাপাশি মনের সব পঙ্কিলতা ও অশুভ ভাবনাকে পরিহার করে সহজ, সরল, অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে শ্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে ব্রতি হওয়াই আমাদের কর্তব্য। কোরবানির মহিমান্বিত শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে মানব কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে। শ্রষ্টার প্রতি নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রতি বছর পশু কোরবানি দেয়। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা জোগায়। কোরবানির ঈদ বিশ্ব মুসলিমের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। যে কোনো উৎসব বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য নয়, উৎসবের রয়েছে একটি সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য। উৎসব মানবজাতির এমন এক সাগরতীর যেখানে ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে সবাই শামিল হতে পারে। তাই স্বার্থচিন্তা পরিহার করে মানবকল্যাণ এবং সমাজে শান্তি, ন্যায়, সুবিচার ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় আমাদের সচেষ্ট হতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
22Bet
spelen bij dux casino
gioca a spinlander
play at cleobetra
Spin Mama
Stake
spin
oscarspin
https://fixbet-bonus.com/tr-tr/

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা

দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০১:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের মানুষ বর্তমান দুঃসহ অবস্থা থেকে পরিবর্তন চায়। বর্তমান সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে নানা ধরণের প্রহসন ও নাটক প্রদর্শন করছে। তিনি বলেন, দেশ এখন এক চরম দুঃসময় অতিবাহিত করছে। স্বেচ্ছাচারী শাসনের কবলে জনগণ অধিকারহীন ও বাকরুদ্ধ। অগণতান্ত্রিক শক্তির দানবীয় উত্থানে রাষ্ট্র ও সমাজে ভয় এবং আতঙ্ক আধিপত্য বিস্তার করছে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।  পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে তাদের অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে উদ্বুদ্ধ হওয়াই কোরবানির মর্মবাণী। পশু কোরবানির পাশাপাশি মনের সব পঙ্কিলতা ও অশুভ ভাবনাকে পরিহার করে সহজ, সরল, অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে শ্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে ব্রতি হওয়াই আমাদের কর্তব্য। কোরবানির মহিমান্বিত শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে মানব কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে। শ্রষ্টার প্রতি নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রতি বছর পশু কোরবানি দেয়। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা জোগায়। কোরবানির ঈদ বিশ্ব মুসলিমের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। যে কোনো উৎসব বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য নয়, উৎসবের রয়েছে একটি সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য। উৎসব মানবজাতির এমন এক সাগরতীর যেখানে ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে সবাই শামিল হতে পারে। তাই স্বার্থচিন্তা পরিহার করে মানবকল্যাণ এবং সমাজে শান্তি, ন্যায়, সুবিচার ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় আমাদের সচেষ্ট হতে হবে।