০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০২৩ ১৫১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব টাইম অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
পৃথিবীর সর্বপ্রথম ও বৃহৎ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মিশরের বিশ্বখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক রিসার্চ কমপ্লেক্স আয়োজিত এক প্রতিযোগিতায় ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ মারুফ হুসাইন সাদ্দান, নাফিস মাহমুদ, সাবির আহমেদ গোফরান।

‘আমার দেশের সংস্কৃতি’ শীর্ষক ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তৃতীয় ও চতুর্থ হয়েছেন আরও ২ বাংলাদেশি ।

গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামিক রিসার্চ কমপ্লেক্স শাখা ওই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করে।

এতে প্রথম হয়েছেন পাবনা জেলার মনিরুল ইসলাম ও ময়মনসিংহের মুহাম্মদ মারুফ হুসাইন সাদ্দান। তারা জনপ্রতি ২৫ হাজার মিশরীয় পাউন্ড করে প্রাইজমানি পেয়েছেন। তৃতীয় বিজয়ী মুন্সিগঞ্জের নাফিস মাহমুদ ১০ হাজার পাউন্ড ও চতুর্থ বিজয়ী সাবির আহমেদ গোফরান পেয়েছেন ৫ হাজার পাউন্ড।

এছাড়া দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিজয়ীরা কায়রো ও ফাইয়ুম জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানগুলো বেড়ানোর সুযোগ পাবেন।

বিজয়ী ৪ বাংলাদেশি আল-আজহার ইনস্টিটিউটের আদব বিভাগের শিক্ষার্থী। তারা কয়েকধাপে ১০টি বিষয়ের ওপর অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় মিশরীয় ও বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশ নেয়।

মিশরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও আল-আজহার সব বিভাগের সহযোগিতায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ইসলামিক রিসার্চ কমপ্লেক্সের মহাসচিব ড. নাযির আইয়াদ বলেন, ‘প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল মিশরীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য দেশের মানুষকে পরিচয় করানো। আর সেটা করা হয়েছে মিশরীয় ও বিদেশি সহপাঠীর বন্ধন তৈরির মাধ্যমে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মিশরীয় শিক্ষার্থীরাও অন্য দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, রীতিনীতি, অভ্যাস-আচরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পেরেছে। ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক, সভ্যতার নিদর্শনমূলক স্থানগুলো পরিচিত করানোর মাধ্যমে মিশর ভ্রমণের প্রতি ভিনদেশীদের উৎসাহিত করা হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
22Bet
spelen bij dux casino
gioca a spinlander
play at cleobetra
Spin Mama
Stake
spin
oscarspin
https://fixbet-bonus.com/tr-tr/

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০২৩
পৃথিবীর সর্বপ্রথম ও বৃহৎ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মিশরের বিশ্বখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক রিসার্চ কমপ্লেক্স আয়োজিত এক প্রতিযোগিতায় ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ মারুফ হুসাইন সাদ্দান, নাফিস মাহমুদ, সাবির আহমেদ গোফরান।

‘আমার দেশের সংস্কৃতি’ শীর্ষক ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তৃতীয় ও চতুর্থ হয়েছেন আরও ২ বাংলাদেশি ।

গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামিক রিসার্চ কমপ্লেক্স শাখা ওই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করে।

এতে প্রথম হয়েছেন পাবনা জেলার মনিরুল ইসলাম ও ময়মনসিংহের মুহাম্মদ মারুফ হুসাইন সাদ্দান। তারা জনপ্রতি ২৫ হাজার মিশরীয় পাউন্ড করে প্রাইজমানি পেয়েছেন। তৃতীয় বিজয়ী মুন্সিগঞ্জের নাফিস মাহমুদ ১০ হাজার পাউন্ড ও চতুর্থ বিজয়ী সাবির আহমেদ গোফরান পেয়েছেন ৫ হাজার পাউন্ড।

এছাড়া দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিজয়ীরা কায়রো ও ফাইয়ুম জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানগুলো বেড়ানোর সুযোগ পাবেন।

বিজয়ী ৪ বাংলাদেশি আল-আজহার ইনস্টিটিউটের আদব বিভাগের শিক্ষার্থী। তারা কয়েকধাপে ১০টি বিষয়ের ওপর অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় মিশরীয় ও বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশ নেয়।

মিশরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও আল-আজহার সব বিভাগের সহযোগিতায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ইসলামিক রিসার্চ কমপ্লেক্সের মহাসচিব ড. নাযির আইয়াদ বলেন, ‘প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল মিশরীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য দেশের মানুষকে পরিচয় করানো। আর সেটা করা হয়েছে মিশরীয় ও বিদেশি সহপাঠীর বন্ধন তৈরির মাধ্যমে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মিশরীয় শিক্ষার্থীরাও অন্য দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, রীতিনীতি, অভ্যাস-আচরণ ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পেরেছে। ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক, সভ্যতার নিদর্শনমূলক স্থানগুলো পরিচিত করানোর মাধ্যমে মিশর ভ্রমণের প্রতি ভিনদেশীদের উৎসাহিত করা হয়েছে।’