বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যুবনেতা মোঃ শিমুল আহমেদ
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ও মিরপুর জোনের টিম প্রধান যুবনেতা মোঃ শিমুল আহমেদ।
তিনি বলেন, ১ সেপ্টেম্বর দিনটি বাংলাদেশী মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার। ১৯৭৮ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, বাকশালী ব্যবস্থায় গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিলো শুধুমাত্র একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার জন্য। শহীদ জিয়াউর রহমান সেই মৃত গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেন এবং বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের পথচলা শুরু করেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
যুবনেতা মোঃ শিমুল আহমেদ বলেন, “দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের এই প্রিয় দল অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে।” তিনি ৮০’র দশকে ৯ বছরের সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির আপোষহীন ভূমিকার কথা স্মরণ করেন, যা ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়। তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সশ্রদ্ধ সালাম জানান।
তিনি আরও বলেন, “১৯৯১ সালে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেছে।” বিএনপির এই ভূমিকা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুন্ন রেখে বিএনপি আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।
যুবনেতা মোঃ শিমুল আহমেদ বলেন, “এখন গণতন্ত্রকে নির্বাসন থেকে ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।” তিনি আইনের শাসন, মত প্রকাশ, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপি দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে আসছে। স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম, জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধতা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা সুরক্ষায় বিএনপির ভূমিকা অনস্বীকার্য। আজ এই বিশেষ দিনে আমরা দলীয় ঐক্য এবং শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমরা বিশ্বাস করি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপির সকল নেতাকর্মী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবে। আসুন, এই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমরা সবাই মিলে দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করি।”
তিনি রাজধানী ঢাকা মহানগর উত্তরের সর্বস্তরের জনগণকে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান। পরিশেষে, তিনি দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও নেক হায়াত কামনা করেন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।













