০২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎বারবার অভিযানের পরও থামছে না উত্তরা রেসিডেন্স আবাসিক হোটেলের অনৈতিক কার্যকলাপ

  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব টাইম অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরার সোনারগাঁও জনপথ রোডের আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে ৭ নম্বর সেক্টরের ৪১ নম্বর বাড়ির ৫ম তলায় আবাসিক হোটেলের আড়ালে প্রকাশ্যে চলছে দেহ ব্যবসা ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই হোটেল গ্র্যান্ড ইন-এ চলছে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ। দুই দফা পুলিশের অভিযান ও একাধিক গ্রেফতারের পর হোটেলটি বন্ধ হলেও সম্প্রতি আবারো নতুন করে উত্তরা রেসিডেন্স নামে শুরু হয়েছে ব্যবসা।

‎হোটেলটিতে গিয়ে দেখা যায়, ১০-১২ জন তরুণীকে দিয়ে প্রতিদিন পরিচালিত হচ্ছে দেহ ব্যবসা। একজন নারীর সঙ্গে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা সময় কাটাতে খদ্দেরদের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। রাত কাটাতে হলে ভাড়া গুণতে হয় কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, হোটেল মালিকরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ ব্যবসা চালাচ্ছে।

‎এ প্রসঙ্গে ভবন মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, “আমার কোনো রেস্টুরেন্ট বা হোটেল নেই, তবে ভবন মালিক আমি। এর আগে অনৈতিক কাজের অভিযোগে ভাড়াটিয়াদের দুইবার বের করে দিয়েছি। আবার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।” তবে স্থানীয়দের মতে, ভবন মালিকই এসব অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আশ্রয়দাতা।

‎উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় এভাবেই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে হোটেলের আড়ালে চলছে দেহ ব্যবসা। এসব স্থানে তরুণ-যুবকদের আড্ডা, কলগার্ল ও দেহ ব্যবসায়ী নারীর আনাগোনা চোখে পড়ে নিয়মিত। কৌশলে এসব হোটেলকে কেন্দ্র করে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের ব্যবসাও ফুলেফেঁপে উঠছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, এসব হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যকে মাসিক বড় অঙ্কের টাকা উৎকোচ দিয়ে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালাচ্ছে। ফলে মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালালেও মূলত এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড উচ্ছেদ হয় না।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, দিন দিন যুবসমাজ এসব হোটেলের দেহ ব্যবসা ও মাদকের ফাঁদে পড়ে অন্ধকার জগতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মাদ আব্দুর রহিম মোল্লা গণমাধ্যম কে বলেন, এই অনৈতিক কার্যকলাপের বিষয়টি আমার নলেজে নেই, আমাকে তথ্য দিন, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‎বারবার অভিযানের পরও থামছে না উত্তরা রেসিডেন্স আবাসিক হোটেলের অনৈতিক কার্যকলাপ

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

উত্তরার সোনারগাঁও জনপথ রোডের আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে ৭ নম্বর সেক্টরের ৪১ নম্বর বাড়ির ৫ম তলায় আবাসিক হোটেলের আড়ালে প্রকাশ্যে চলছে দেহ ব্যবসা ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই হোটেল গ্র্যান্ড ইন-এ চলছে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ। দুই দফা পুলিশের অভিযান ও একাধিক গ্রেফতারের পর হোটেলটি বন্ধ হলেও সম্প্রতি আবারো নতুন করে উত্তরা রেসিডেন্স নামে শুরু হয়েছে ব্যবসা।

‎হোটেলটিতে গিয়ে দেখা যায়, ১০-১২ জন তরুণীকে দিয়ে প্রতিদিন পরিচালিত হচ্ছে দেহ ব্যবসা। একজন নারীর সঙ্গে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা সময় কাটাতে খদ্দেরদের গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। রাত কাটাতে হলে ভাড়া গুণতে হয় কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, হোটেল মালিকরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ ব্যবসা চালাচ্ছে।

‎এ প্রসঙ্গে ভবন মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, “আমার কোনো রেস্টুরেন্ট বা হোটেল নেই, তবে ভবন মালিক আমি। এর আগে অনৈতিক কাজের অভিযোগে ভাড়াটিয়াদের দুইবার বের করে দিয়েছি। আবার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।” তবে স্থানীয়দের মতে, ভবন মালিকই এসব অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আশ্রয়দাতা।

‎উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় এভাবেই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে হোটেলের আড়ালে চলছে দেহ ব্যবসা। এসব স্থানে তরুণ-যুবকদের আড্ডা, কলগার্ল ও দেহ ব্যবসায়ী নারীর আনাগোনা চোখে পড়ে নিয়মিত। কৌশলে এসব হোটেলকে কেন্দ্র করে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের ব্যবসাও ফুলেফেঁপে উঠছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, এসব হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যকে মাসিক বড় অঙ্কের টাকা উৎকোচ দিয়ে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালাচ্ছে। ফলে মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালালেও মূলত এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড উচ্ছেদ হয় না।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, দিন দিন যুবসমাজ এসব হোটেলের দেহ ব্যবসা ও মাদকের ফাঁদে পড়ে অন্ধকার জগতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মাদ আব্দুর রহিম মোল্লা গণমাধ্যম কে বলেন, এই অনৈতিক কার্যকলাপের বিষয়টি আমার নলেজে নেই, আমাকে তথ্য দিন, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।