০৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

Fast immer bieten neue Wettanbieter eine direkte Verlinkung zu Beratungsstellen bei Glücksspielsucht.

নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের জন্য প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করুন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব টাইম অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশের বিরাজমান সংকট ও অনিবার্য সংঘাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া ও নির্বাচনকালীন সরকার এর জন্য সাংবিধানিক বাধা দূর করতে যা করা দরকার তা করতে হবে। কেননা সংবিধানকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত করতে হবে। নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের জন্য প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করুন।
তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলছি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মত নির্বাচন ২০২৩ এ করার চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিহত করবে। এ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে গোটা বিশ্ব প্রশ্ন তুলেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য করে খোলা চিঠি দিয়েছেন। দেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটা দেশ ও জাতির জন্য সুখকর নয়। এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এর খোলস পাল্টিয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে, এটাও কালাকানুন। যা বিরোধী মত দমন ও স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আত্মরায় হিসেবে ব্যবহৃত হবে। বিধায় এই কালো আইন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।
আজ ২৯ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলার এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ও কুষিবিদ আফতাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, শিক্ষা ও সংষ্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, এ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মকবুল হোসাইন, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা খলিলুর রহমান, জিএম রুহুল আমীন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, এডভোকেট এম হাছিবুর রহমান, মাওলানা নূরুল ইসলাম আল আমিন, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা শোয়াইব হোসেন, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, আলহাজ্ব সেলিম মাহমুদ, আল-ইকবাল, ডা. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ আরও বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার জনমতের প্রতি কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে টিকে থাকতে এবং পুনরায় ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠছে। জনগণ আর এক মুহুর্তও বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
সভায় শহিদ হাফেজ রেজাউল করীম খুন হওয়ার অনেক দিন গত হলেও খুনিদের গ্রেফতার না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। অবিলম্বে জনমতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে হাফেজ রেজাউল করীমের খুনিদের গ্রেফতার করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
22Bet
spelen bij dux casino
gioca a spinlander
play at cleobetra
Spin Mama
Stake
spin
oscarspin
https://fixbet-bonus.com/tr-tr/

নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের জন্য প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করুন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০২:১০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশের বিরাজমান সংকট ও অনিবার্য সংঘাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া ও নির্বাচনকালীন সরকার এর জন্য সাংবিধানিক বাধা দূর করতে যা করা দরকার তা করতে হবে। কেননা সংবিধানকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত করতে হবে। নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের জন্য প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করুন।
তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলছি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মত নির্বাচন ২০২৩ এ করার চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিহত করবে। এ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে গোটা বিশ্ব প্রশ্ন তুলেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য করে খোলা চিঠি দিয়েছেন। দেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটা দেশ ও জাতির জন্য সুখকর নয়। এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এর খোলস পাল্টিয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে, এটাও কালাকানুন। যা বিরোধী মত দমন ও স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আত্মরায় হিসেবে ব্যবহৃত হবে। বিধায় এই কালো আইন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।
আজ ২৯ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলার এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ও কুষিবিদ আফতাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, শিক্ষা ও সংষ্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, এ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মকবুল হোসাইন, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা খলিলুর রহমান, জিএম রুহুল আমীন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, এডভোকেট এম হাছিবুর রহমান, মাওলানা নূরুল ইসলাম আল আমিন, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা শোয়াইব হোসেন, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, আলহাজ্ব সেলিম মাহমুদ, আল-ইকবাল, ডা. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ আরও বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার জনমতের প্রতি কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে টিকে থাকতে এবং পুনরায় ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠছে। জনগণ আর এক মুহুর্তও বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
সভায় শহিদ হাফেজ রেজাউল করীম খুন হওয়ার অনেক দিন গত হলেও খুনিদের গ্রেফতার না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। অবিলম্বে জনমতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে হাফেজ রেজাউল করীমের খুনিদের গ্রেফতার করুন।